চট্টগ্রামে চায়ের নিলামের মধ্য দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু

চায়ের নতুন মৌসুম শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক নিলামের মধ্য দিয়ে সোমবার ২০২৫-২৬ মৌসুমের চা বিকিকিনি শুরু হয়।

চায়ের নতুন মৌসুম শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক নিলামের মধ্য দিয়ে সোমবার ২০২৫-২৬ মৌসুমের চা বিকিকিনি শুরু হয়। প্রথম নিলামেই বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছে চা। নিলামে আসা ৭০ শতাংশের বেশি চা কিনেছেন ক্রেতারা।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ৫ মে চট্টগ্রাম, ৬ মে পঞ্চগড় ও ৭ মে শ্রীমঙ্গল নিলাম কেন্দ্রের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এবার চট্টগ্রামে ৪৮টি (প্রতি সোমবার), পঞ্চগড়ে ২৬টি (প্রতি মঙ্গলবার) ও শ্রীমঙ্গলে ৪৮টি (প্রতি বুধবার) চায়ের আন্তর্জাতিক নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। দেশে তিনটি নিলাম কেন্দ্র থাকলেও ৯৫ শতাংশেরও বেশি চা বিক্রি হয় শতবর্ষী চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক চা নিলামে।

নিলাম প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা গেছে, সোমবার অনুষ্ঠিত নতুন মৌসুমের প্রথম নিলামে বিক্রির জন্য ২১ হাজার ৬৫ ব্যাগে ১০ লাখ ১৪৩ কেজি চায়ের নিলাম প্রস্তাব তোলা হয়। এর মধ্যে ৭১ শতাংশ চা কিনে নিয়েছে ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতি কেজি চা বিক্রি হয়েছে গড়ে ২৪০ টাকা দরে।

চা বোর্ডের তথ্যমতে, মৌসুমের প্রথম নিলামে আগের বছরের একই নিলাম থেকে ৩ লাখ ৭২ হাজার ২৫৪ কেজি চা কম প্রস্তাব করেছে বাগানগুলো। এ বছর বাগান সংখ্যা ১৬৮ থেকে উন্নীত হয়ে ১৭০টি হলেও শুরুতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আগের বছরের তুলনায় কম চা পাঠিয়েছে বাগানগুলো।

চা বোর্ড আরো জানিয়েছে, চলতি বছর দেশে ১০ কোটি ৩০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে উৎপাদন হয়েছে ১৬ লাখ ২১ হাজার কেজি চা। যদিও ২০২৪ সালের একই সময়ে দেশে চা উৎপাদন হয়েছিল ১৮ লাখ ১১ হাজার এবং ২০২৩ সালে ২৪ লাখ ৫৭ হাজার কেজি।

জানতে চাইলে ন্যাশনাল ব্রোকার্সের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক অঞ্জন দেব বর্মণ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশে নতুন নিলাম শুরু হয়েছে। বাগানগুলো থেকে প্রথম নিলামে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে চা পাওয়া যায়নি। আশানুরূপ বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে চায়ের সরবরাহ কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিয়মিত বিরতিতে বৃষ্টিপাত হওয়ায় আগামী নিলামগুলোয় চায়ের সরবরাহ বাড়তে পারে।’

আরও